স্বাগতম, অতিথি
আপনাকে অবশ্যইনিবন্ধন করতে হবে আমাদের এই ফোরামে পোস্ট করার জন্য।


  

পাসওয়ার্ড
  





ফোরাম অনুসন্ধান

(উন্নত অনুসন্ধান)

ফোরামের পরিসংখ্যান
» সদস্য: 4
» সর্বশেষ সদস্য: Minto
» থ্রেড সংখ্যা: 4
» পোস্ট সংখ্যা: 5

সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান

অনলাইনে ব্যবহারকারী(গণ)
বর্তমানে 14 জন অনলাইনে আছেন।
» 0জন সদস্য(s) | 14 অতিথি(s)

সর্বশেষ থ্রেড
ফকিরপাড়ায় দেহব্যবসা: না...
ফকিরপাড়া ইউনিয়ন
সর্বশেষ পোস্ট করেছেন: admin
08-06-2020, 04:53 PM
» প্রত্যুত্তর সমূহ: 0
» প্রদর্শন: 199
ঈদের দিন দুই শিশুর করুণ ম...
উপজেলা জুড়ে
সর্বশেষ পোস্ট করেছেন: newsroom
08-04-2020, 01:40 PM
» প্রত্যুত্তর সমূহ: 0
» প্রদর্শন: 203
উপকারের কথা ভুলে যাননি কৃ...
সিন্দুর্ণা ইউনিয়ন
সর্বশেষ পোস্ট করেছেন: admin
08-04-2020, 01:36 PM
» প্রত্যুত্তর সমূহ: 0
» প্রদর্শন: 250
Eid ul ahdha
সিন্দুর্ণা ইউনিয়ন
সর্বশেষ পোস্ট করেছেন: zisan
08-02-2020, 11:33 AM
» প্রত্যুত্তর সমূহ: 1
» প্রদর্শন: 356

 
  ফকিরপাড়ায় দেহব্যবসা: নারী সহ গ্রেফতার ছয় ।
পোস্ট করেছেন: admin - 08-06-2020, 04:53 PM - ফকিরপাড়া ইউনিয়ন - কোন প্রত্যুত্তর নেই

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গাছ বাগানের একটি বাড়িতে দীর্ঘ দিন থেকে দেহ ব্যবসা চলে আসছে। এই গাছ বাগান ও বাড়িতে  দীর্ঘদিন যাবৎ পতিতা ব্যবসার  ও মাদকের অভয়আশ্রম হিসেবে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাটি সবার নজরে এলে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত ৩ নারী ও ৩ জন খদ্দরকে আটক করেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৯টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গাছ বাগানের একটি বাড়ি থেকে ৬ জন গ্রেফতার করেন পুলিশ।
আটকৃতরা হলেন, হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউপির পশ্চিম ফকির পাড়া গ্রামের নুর ইসলামের স্ত্রী ফুল বানু (৪৮) ও তার মেয়ে মমিনা বেগম অরফে ছামিনা (২৫) ,সে ভ্যান চালক জিয়ারুল ইসলাম জিয়ার স্ত্রী, উপজেলার গড্ডিমারী ইউপির চর গড্ডিমারী গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে লাভলী (২৮) ও বড়খাতা দোলাপাড়া গ্রামে মৃত এজাম উদ্দিনের ছেলে খদ্দর রেয়াজ আলী (৫৫)। পাটগ্রাম উপজেলার রহমান পুর গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে সেলিম মিয়া (২৪) ও পাটগ্রাম বাউরা ইউপির নবীনগর গ্রামের কোবেদ আলীর ছেলে বরাত হোসেন (১৫)।
জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের কাছে দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলার রমনীগন্জ গ্রামের মৃত আহম্মেদ মিয়ার ছেলে নুর ইসলাম ও তার স্ত্রী ফুলবানু ও তার মেয়ে ছামিনা বিভিন্ন এলাকা থেকে মেয়ে সংগ্রহ করে জমজমাট দেহ ব্যবসা শুরু করেন। প্রতিদিন সন্ধার পর শুরু হয় খদ্দর আসার। এঘটনাটি এলাকার অনেকেই মুখ খুলতে পারেন না। প্রতিবাদ করলেই দেওয়া হয় নারী নির্যাতন মামলা ।
হাতীবান্ধার থানার এসআই আজিজ বলেন, রাত ৯ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গাছ বাগের বাড়িতে অভিযান চালাই ওই সময় অনৈতিক কাজ করার সময় হাতে নাতে ধরা পরে ৩ খদ্দর । এ সময় বাড়ির মালিক নুর ইসলাম পালিয়ে গেলেও স্ত্রী  ও মেয়েকে অবৈধ কাজে লিপ্ত থাকায় আরও এক মেয়েকে আটক করি । এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করি ।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফরুক নিশ্চিত করে বলেন, আটক কৃতদের জেলহাজতে পাঠান হয়েছে। তিনি আরও বলে, মাদক ও দেহ ব্যবসা ঠেকাতে ওই এলাকায় নিয়মিত টহল জোড়দার করা হবে।

এটি প্রিন্ট করবো

Exclamation ঈদের দিন দুই শিশুর করুণ মৃত্যু
পোস্ট করেছেন: newsroom - 08-04-2020, 01:40 PM - উপজেলা জুড়ে - কোন প্রত্যুত্তর নেই

[ছবি: accident-jagonews-20200801210510.jpg]

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ঈদের দাওয়াতে মামার বাড়িতে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্মৃতি মনি (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার মিলন বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্মৃতি জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার চকিশাল চামটা এলাকার হাবিবুর রহমানের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে স্মৃতি তার পরিবারের সাথে ঈদের দাওয়াত খেতে মামার বাড়ি মিলন বাজারে যাচ্ছিল। এ সময় মিলন বাজার তুলার মিল এলাকায় অটো থেকে নেমে ভাড়া দেয়ার সময় একটি মোটরসাইকেল স্মৃতিকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের লোকজন স্মৃতিকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে, হাতীবান্ধায় ঈদের নতুর জামা পরার আগেই পুকুরের পানিতে ডুবে হাবিবুল্লাহ্ (৩) নামের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিবুল্লাহ্ ওই এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, শনিবার সকালে গোসলের পর খেলতে খেলতে সবার অগচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পরে যায় হাবিবুল্লাহ্। তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর পুকুরের পানিতে লাশ ভাসতে দেখেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। ঈদের দিনই এমন মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সূত্র: জাগো নিউজ 24 Exclamation

এটি প্রিন্ট করবো

Heart উপকারের কথা ভুলে যাননি কৃষক, প্রধানমন্ত্রীর নামে কোরবানি
পোস্ট করেছেন: admin - 08-04-2020, 01:36 PM - সিন্দুর্ণা ইউনিয়ন - কোন প্রত্যুত্তর নেই

[ছবি: lalmonirhat-kurbani-20200802165115.jpg]
চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে কোরবানি দিলেন তিস্তাপারের হতদরিদ্র কৃষক মোজাম্মেল হক

এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পশু কোরবানি দিয়েছেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তাপারের হতদরিদ্র কৃষক মোজাম্মেল হক আকন্দ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানের টাকায় একটি ছাগল কিনে স্বাবলম্বী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রতি বছর পশু কোরবানি দিচ্ছেন এই কৃষক।

গতকাল রোববার (০২ আগস্ট) দুপুরে তিস্তাপারের শাহী সোনা জামে মসজিদের তালেব মোড় এলাকায় চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে একটি খাসি কোরবানি দেন কৃষক মোজাম্মেল। গত চার বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে কোরবানি দেন তিনি।

রোববার পশু কোরবানির সময় উপস্থিত ছিলেন- হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ আবুবকর সিদ্দিক শ্যামল, গড্ডিমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এলিজা খাতুন, মুক্তিযোদ্ধা শহিদ উদ্দিন ও গড্ডিমারী ইউনিয়ন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

[ছবি: lalmonirhat-kurbani-1-20200802165040.jpg]
তিস্তাপারের প্রতিবন্ধী কৃষক মোজাম্মেল হক আকন্দ হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের নিজ গড্ডিমারী গ্রামের মৃত কেরামত আলী আকন্দের ছেলে। তিস্তা নদীর ভাঙনে পাঁচবার বসতভিটা হারিয়েছেন তিনি। এরপর তিস্তা নদীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া মাত্র ৩০ শতাংশ জমিতে ঘর বেঁধে বসবাস শুরু করেন কৃষক মোজাম্মেল।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের মাধ্যমে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তহবিল থেকে ২০ হাজার টাকা অনুদান পান কৃষক মোজাম্মেল হক। অনুদান পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য একটি পশু কোরবানি দেবেন বলে নিয়ত করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে ১১ জন নারী ও তিনি নিজে কোরআন খতম দেন। ২০১৭ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর নামে পশু কোরবানি দিয়ে আসছেন মোজাম্মেল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে তিস্তা নদীর ভাঙনে জায়গাজমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন মোজাম্মেল হক। কোনো উপায় না পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্যের আবেদন করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০ হাজার টাকা অনুদান দেন। অনুদানের ১৭ হাজার টাকায় ঘর-বাড়ি মেরামতের কাজে লাগান মোজাম্মেল হক। বাকি তিন হাজার টাকায় একটি ছাগল কেনেন। ওই ছাগল লালন-পালন করলে ছয়টি ছাগল হয়। সেইগুলো থেকে আরও চারটি ছাগল হয়। এভাবে বাড়তে থাকে তার ছাগলের সংখ্যা। পাশাপাশি ছাগল বিক্রি করে সংসার চালাতে থাকেন তিনি। এবার দুটি ছাগল বিক্রি ও একটি প্রধানমন্ত্রীর নামে কোরবানি দিয়েছেন তিনি। একটি ছাগলেই ভাগ্য ফিরেছে মোজাম্মেল হকের। ছাগল বিক্রি করে ইতোমধ্যে একটি গরু কিনেছেন তিনি। বর্তমানে তার তিনটি গরু ও পাঁচটি ছাগল রয়েছে।

[ছবি: lalmonirhat-kurbani-2-20200802165105.jpg]
প্রতিবন্ধী মোজাম্মেল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া অনুদানের টাকায় আমি একটি ছাগল কিনি। সেই ছাগল দিয়ে আমার ভাগ্য ফিরেছে। প্রধানমন্ত্রীর উপকারের কথা ভুলে যাইনি। তাই আমি ওই সময় নিয়ত করেছিলাম প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রীর নামে একটি করে ছাগল কোরবানি দেব। এবার চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে কোরবানি দিলাম।

হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ আবুবকর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, প্রতিবন্ধী মোজাম্মেল হক তিস্তাপারের অসহায় কৃষক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানের টাকায় একটি ছাগল কিনে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। এরপর থেকে প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রীর নামে কোরবানি দিচ্ছেন মোজাম্মেল হক।


সূত্র: জাগো নিউজ 24

এটি প্রিন্ট করবো

Big Grin Eid ul ahdha
পোস্ট করেছেন: Minto - 08-02-2020, 11:30 AM - সিন্দুর্ণা ইউনিয়ন - প্রত্যুত্তর (1)

Hi
I am minto Mia.
I enjoyed Eid ul ahdha
Thanks for the invitation


কোটেশনHi how are you?
কোটেশনHello I am fine
কোটেশনCan you provide a list?
কোটেশনYes here it's 
  1. Mom
  2. Dad
  3. Brother
  4. Sister
  5. Me
কোটেশনThanks dear



সংযুক্তি ফাইল(সমূহ): সংযুক্তি থাম্বনেইল(সমূহ)
   
এটি প্রিন্ট করবো